কিভাবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন কাজ করে?

হ্যালো” প্রিয়” রিডার! আপনাদের সবাইকে TechZoa.com এ স্বাগতম। আমার নাম sam।আজ আমরা এই এপিসোডে দেখবো কিভাবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন কাজ করে? অনেকে  জানে না এটি কি এবং স্পেস এ স্টেশন কিভাবে আসলো। কিন্তু স্পেস এ একটি স্টেশন আছে। এটি অনেক গুলো দেশ মিলে তৈরি করেছে। এইটা নিয়েই আজকে আমরা কথা বলবো। কিভাবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন কাজ করে এবং কেন এটিকে  মহাকাশে পাঠানো হয়েছিল?

কিভাবে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন কাজ করে?

আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন নিজেই অনেক বড় একটি মহাকাশযান। যেখানে মহাকাশচারী এবং নভোচররা থাকে। এই আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশন টিকে ইউনিক বিজ্ঞান গবেষণাগারও বলা হয়। কারণ এটি আমাদের পৃথিবী থেকে ৩৫০ কিলোমিটার উপরে। ২৮ হাজার কিলোমিটার প্রতি ঘন্টা স্পিড এ আমাদের পৃথিবীর চারপাশ দিয়ে ঘুরে। আপনি বুঝতে পারছেন এই স্পিড কত বেশি। ৯০ মিনিটে পুরো পৃথিবীকে অতিক্রম করা হয়ে যায় এবং এই স্পেস স্টেশন  কিন্তু কোনো এক এজেন্সি তৈরি করেনি।

আরো পড়ুন:  প্রযুক্তি ২০৫০ সালে | ভবিষ্যত প্রযুক্তির তথ্য | প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব

আপনাদের মধ্যে অনেকেই মনে করেন যে এটি নাসা তৈরি করেছে। কিন্তু এটি শুধু নাসা তৈরি করেনি। পৃথিবীতে যে যে দেশ গুলোতে স্পেস এজেন্সি আছে। তারা সবাই মিলে এই স্পেস স্টেশনটি তৈরি করেছে এবং তারা সবাই মিলে এটি ব্যবহার করে।

এত বড় স্পেস স্টেশন কে কিন্তু একবারে নিক্ষেপ করা হয়নি। এটিকে একটু একটু করে মহাকাশে পাঠানো হয়। মানে এর প্রথম অংশ নভেম্বর ১৯৯৮ এ হয়েছিল এবং এর ২ বছর পর আরও কিছু পাঠানো হয়। তারপর এটি মানুষের থাকার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়। এটি তখনও পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল না। শুধু মানুষ থাকার জন্য উপযুক্ত হয়েছিল। এরপর ২ নভেম্বর ২০০০ এ সেখানে মহাকাশচারী যায়। প্রথমবারের মতো স্পেস এ কেউ থাকতে যায় ।এর আগেও মানুষ স্পেসে গিয়েছে। কিন্তু কেউ থাকার জন্য যাইনি। এই প্রথমবারের মতো জন্য কেউ স্পেস এ  থাকতে যায়। এর পর কিছু কিছু অংক জুরে জুরে এবং ২০১১ পযন্ত পুরো স্পেস স্টেশন সম্পূন হয়ে যাই। যেমন এখন আছে। আপনি যদি অনুমান করতে চান যে এই স্পেস স্টেশন কতটা বড় তাহলে ভাবতে পারেন ৫টি বেডরুম এর সমান। এখন একসাথে ৬ জন এই স্পেস স্টেশন এ থাকতে পারে এবং আরো বেশি যদি চায় তাহলে এখানে থাকতে পারে। যেমন স্পেস স্টেশন এ কোন প্রব্লেম হলে মহাকাশচারী ঠিক করতে না পারলে। পৃথিবী থেকে মানুষ যায় এটা ঠিক করতে তো সে ঐখানে থাকতে পারে। যে পর্যন্ত এটা ঠিক না হয়।

পৃথিবীতে এই স্পেস স্টেশন এর ওজন ৪৫০০০০ কেজি মত পায়। এ স্পেস স্টেশন শুধু পরীক্ষাগার না আরো অনেক কিছু আছে। যেমন এস্ট্রোনট দের ঘুমানোর জায়গা, খাওয়ার জায়গা এবং তাদের ব্যায়াম  করার জন্যও একটি জায়গা আছে। তাদের ব্যায়াম করা জরুরি কারণ স্পেস এ কোন মাধ্যাকর্ষণ শক্তি নেই। এর জন্য তাদের শরীরের হাড় দুর্বল হয়ে পড়বে। তারা যদি ব্যায়াম না করে তাহলে তারা পৃথিবী তে আসলে তারে হাটতে পারবে না এবং এই স্পেস স্টেশন এ একটি রেডিয়েটর আছে। যেটা এখনকার তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। এই স্পেস স্টেশন এর বাহিরে একটি রোবট হাত লাগানো আছে। যেটি কোনো নতুন পার্ট আসলে এটা লাগাতে সাহায্য করে। যখন মহাকাশচারী দের কখনো বাইরে যেতে হয় তাহলে ওই রোবট হাত নিয়ে যায়।

 স্পেস স্টেশন

বন্দুরা যখন প্রথম মহাকাশচারী ওখানে যাই। তারপর এমন কোনো দিন আসেনি যখন ওখানে কোনো মহাকাশচারী থাকেনি। এই স্পেস স্টেশন সবসময় একজন মহাকাশচারী থাকে। এই স্পেস স্টেশন  আমাদের পৃথিবীর জন খুবই গুরুত্বপূর্ণ । কারণ ওখানে এমন গবেষণা হয়। যা পৃতিবীতে করা সম্ভব নয়।

আজকের জন্য এতটুকু ছিল| পরবর্তীতে অন্য কিছু  নিয়ে হাজির হব | আপনি যদি আমাদের ওয়েবসাইটের পোস্টগুলো পছন্দ করে থাকেন তাহলে নিচে কমেন্ট করতে ভুলবেন না| আর যদি আপনার কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে কমেন্টে জানাবেন| আমি উত্তর দেয়ায় চেষ্টা করব|

About the author

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *