প্রযুক্তি ২০৫০ সালে | ভবিষ্যত প্রযুক্তির তথ্য | প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব

হ্যালো” প্রিয়” রিডার! আপনাদের সবাইকে  TechZoa.com এ স্বাগতম। আমার নাম sam। আজকে আমি আপনাদের জানাবো ভবিষ্যৎ প্রযুক্তির কিছু বিষয়ে, যেমন:2050 সালে টেকনোলজির দুনিয়ায় কি হতে পারে? আমরা কি আসা করি এই টেকনোলজি থেকে ? আসুন তাহলে আজকে আমরা জানি ২০৫০ পযন্ত প্রযুক্তি / টেকনোলজির ক্ষেত্রে কি কি আসতে পারে।

১.ড্রোন

প্রযুক্তি 2050 সালে
ড্রোন

২০৫০ পর্যন্ত drone ডেলিভারি করা শুরু করে দিবে। এখন যেই  ড্রোন দিয়ে ভিডিও করা বা মজার জন্য ব্যবহার করা হয়ে থাকে ২০৫০ পযন্ত এই ড্রোন দিয়ে যে কোন পণ্য ডেলিভারি করা হবে। কিন্তু এগুলো পিজা ডেলিভারি জন্য ব্যবহার করা হবে না। এই সব জিনিস ব্যবহার হবে কোনো হাসপাতাল এ জরুরি সেবা যেমন কোনো গুরুত্বপুণ ওষুধ বা সেনাবাহিনী আহত হলে তাদের জরুরি সবার জন্য এই ড্রোন ব্যবহার করা হবে।এসব কাজের জন্য ২০৫০ পর্যন্ত ড্রোন এর ব্যবহার শুরু হয়ে যাবে।

আরো পড়ুন:  এনক্রিপশন কি? পাবলিক কী এনক্রিপশন কি? বিস্তারিত ব্যাখ্যা

২.হাইপারলুপ

প্রযুক্তি 2050 সালে
হাইপারলুপ

হাইপারলুপ সম্পর্কে আপনি জেনে  থাকবেন যদি আপনি হাইপারলুপ কি না জানেন তাহলে আপনি আমাদের আর্টিকেল হাইপারলুপ সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে পারেন এইখানে ক্লিক করে। আমি এখানে হাইপারলুপ সম্পর্ক একটু বলি। হাইপারলুপ হলো একটি বড় ধরনের টিউব থাকে যার ভিতর দিয়ে ট্রেন এর মতো একটি যানবাহন চলে। এই যানবাহন অনেক দ্রুত পথ অতিক্রম করে। এটির মাধ্যমে আপনি খুব দ্রুত আপনার গন্তবে পৌঁছাতে পারবেন । ২০৫০ পর্যন্ত আমরা হাইপারলুপ  দেখতে পারবো।

৩.মেশিন মানুষের মত চিন্তা করতে পারে।

প্রযুক্তি 2050 সালে
মেশিন মানুষের মত চিন্তা করতে পারে

আমি আপনাদের বলে নেই গুগল বেশ কিছু সময় ধরে  আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে কাজ করছে এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স নিয়ে গুগল এর বসে কিছু প্রজেক্ট আসে।গুগল এর ডিপ লার্নিং এবং ডিপ মাইন্ড এই নামে কিছু প্রজেক্ট আছে। এগুলো মেশিন কে এমন ক্ষমতা দেয় যে মেশিন মানুষ এর মতো চিন্তা করতে পারবে। তাহলে ২০৫০ পর্যন্ত মেশিন নিজে নিজে চিন্তা করতে পারবে এবং তারা নিজেরা সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। তাদের কাছে মানুষ এর মতো আবেগ থাকবে।তাদের কাছে মানুষ এর মতো আবেগ থাকবে। যেমন তারা খুশি হবে,দু:খি হবে একদম মানুষ এর মতো।

৪.মানুষ মঙ্গলে ভ্রমণে যেতে পারবে।

মানুষ ২০৫০ পূর্বেই মানে ২০৩০ মঙ্গল এ ভ্রমণ করতে পারবে। আপনি যেমন এখন এক জায়গা থেকে অন্য কোনো জায়গায় ঘুরতে  যান তেমনি ২০৩০ এ আপনি স্পেস ক্র্যাফট এ বসে মঙ্গলে যেতে পারবেন। কিন্তু এই ভ্রমণের খরচ খুব ব্যয়বহুল হবে। কিন্তু বড় বড় বিজনেসম্যান তারা চাইলে যেতে পারবে। কিন্তু এই যদিও ২০৩০ মধ্যে না হয় তাহলে ২০৫০ পযন্ত এইটা সম্ভব হবে।

আরো পড়ুন:  ইন্টারনেট কি | এর মালিক কে এবং কিভাবে ইন্টারনেট কাজ করে?

৫.প্রস্থেটিক

প্রযুক্তি 2050 সালে
প্রস্থেটিক

প্রস্থেটিক এই নাম কি আপনি শুনেছেন ? এটার মানে হচ্ছে যদি মানুষের শরীরের কোনো অংশ ভেঙ্গে যাই। তাহলে ওই জায়গায় মেশিন অঙ্গ লাগিয়ে দেওয়া হবে। যেমন যদি আমার হাত কেটে যায় তাহলে সেখানে রোবট আর্ম লাগিয়ে দেয়া হবে। আমি এটা সেই ভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারবো যেই ভাবে আমার হাত আমি নিয়ন্ত্রণ করতাম।তো এই জিনিসও ২০৫০ পর্যন্ত সম্ভব হতে পারে।

৬.পোশাক মানুষকে সুপার পাওয়ার  দিতে পারে।

প্রযুক্তি 2050 সালে
পোশাক মানুষকে সুপার পাওয়ার  দিতে পারে।

এটার মানে আপনি যে পোশাক পড়বেন সেই পোশাক আপনাকে আলাদা সুপার  পাওয়ার দিবে। নানান রকম পোশাক বানানো হবে। যেগুলো আগুনেও কিছু হবে না। এমনও হতে পারে যে আপনার পোশাকে ও মেশিন লাগানো আছে যেগুলো আপনার শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করবে।

৭.ভার্চুয়াল রিয়েলিটি পাঠ্যপুস্তক প্রতিস্থাপন করতে পারে।

প্রযুক্তি 2050 সালে
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি পাঠ্যপুস্তক প্রতিস্থাপন করতে পারে।

এখন আপনি স্কুল বা কলেজে যান পড়াশুনা কি দিয়ে করেন ? বই দিয়েই করেন। কিছু বছর পর বই পুরোনো হয়ে যাবে। এই সব কিছুর জায়গায় ভার্চুয়াল রিয়েলিটি নিয়ে নেবে। আপনি হয়তো জানেন স্মার্ট ক্লাস স্কুলে হয়েছে। যেখানে প্রজেক্টের এর সাহায্য ক্লাস নেয়া হয়। পূর্বে এমন হতোনা বই দিয়ে পড়ানো হতো আজকাল প্রজেক্টর দিয়ে ক্লাস নেয়া হয় এবং কিছু সময় পর বই একদম প্রতিস্থাপন হয়ে যাবে।

৮.স্মার্টফোন পুরোনো হয়ে যাবে।

প্রযুক্তি 2050 সালে
স্মার্টফোন পুরোনো হয়ে যাবে।

তখন আমরা স্মার্ট ব্যান্ড আমাদের কাছে সাধারণ হয়ে যাবে। অগমেন্টেড রিয়েলিটি এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি আমাদের হাতে থাকবে। স্মার্ট ফোন এর জায়গায় এমন গ্লাস এসে যাবে যা আমাদের চোখের সামনে পুরো কম্পিউটার চলবে। এমন ব্যান্ড ব্যবহার হবে যা এক ক্লিক করলে আমাদের সামনে পুরো ভার্চুয়াল রিয়ালিটি এসে যাবে।তখন যদি আপনার হাতে স্মার্ট ফোন দেখে তাহলে মানুষ হাসবে।

৯.স্বচালিত গাড়ি সাধারণ হয়ে যাবে।

স্বচালিত গাড়ি সাধারণ হয়ে যাবে।
স্বচালিত গাড়ি সাধারণ হয়ে যাবে।

এখন আপনি যে গাড়ি গুলো আমার দেখতে পাই এইগুলোকে প্রতিস্থাপন করা হবে এবং সকল গাড়ি স্বচালিত হবে। যে গাড়িতে কোন ড্রাইভার থাকবে না। তখন ট্যাক্সি,উবার এগুলো স্বচালিত হবে। সাথে কোনো ড্রাইভার থাকবে না। এখন এটার উপর পরীক্ষা চলছে পরবর্তী কিছু বছরের মধ্যেই আমরা এরকম গাড়ি দেখতে পাবো।

আরো পড়ুন:  কিভাবে Google স্ট্রিট ভিউ কাজ করে? ক্যাপচার সবকিছু – ব্যাখ্যা

১০.ঘর নির্মাণের জন্য 3D-printing ব্যবহার হবে।

সাধারণ প্রিন্টার তো আপনি দেখেছেন। কিন্তু  3D-প্রিন্টিং এইটা দিয়ে আপনি যে কোনো 3ড অবজেক্ট প্রিন্ট করতে পারবেন যেমন খেলনা। ২০৫০ সাল এ আমরা এই 3D-প্রিন্টিং টেকনোলজি ব্যবহার করে বারিগর তৈরি করা যাবে।

বন্ধুরা এই ছিল প্রযুক্তির  কিছু তথ্য ২০৫০ পযন্ত প্রযুক্তি কিরকম হতে পারে। যেমন কে আমরা জানি প্রযুক্তি অনেক দ্রুত আধুনিক হচ্ছে। আজ থাকে কিছু বছর পূর্ব আমরা কল্পনাও করতে পারতাম না। এমন একটি ফোন হবে যাতে কোনো ক্যাবল থাকবে না। কিন্তু পুরো দুনিয়ায় যে কারোর সাথে কথা বলতে পারবো। এমন একটি ফোন আসবে যার কোনো বাটন থাকবে না শুধু স্পর্শ করেই ব্যবহার করতে পারবো। এখন দেখার বিষয় ২০৫০ পর্যন্ত প্রযুক্তি কোথায় যায়।আপনি কি জানেন আমেরিকা যে উকিল আছে তারা বেকার হচ্ছে। তাদের কাজ কেড়ে নেয়া হচ্ছে। আপনি  জানেন কি তাদের কাজ কারা নিচ্ছে? শুধু একটি সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারটি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এর উপর কাজ করে। এই সফটওয়্যারটি ডিসিশন মেকিং করে এবং এই সফটওয়্যার কে যা যা প্রশ্ন করা হয়। সফটওয়্যার সহজেই উত্তর দিয়ে দেয়। কোনো আইনি পরামর্শ প্রয়োজন হলে খুব সহজে এবং ঠিক উত্তর দিতে পারে।

আজকের জন্য এতোটুকু ছিল| পরবর্তীতে অন্য টিপস-এন্ড-ট্রিকস নিয়ে হাজির হব| আপনি যদি আমাদের ওয়েবসাইটের পোস্টগুলো পছন্দ করে থাকেন তাহলে নিচে কমেন্ট করতে ভুলবেন না| আর যদি আপনার কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে কমেন্টে জানাবেন| আমি answer করতে চেষ্টা করব|

About the author

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *