এনক্রিপশন কি? পাবলিক কী এনক্রিপশন কি? বিস্তারিত ব্যাখ্যা

বন্ধুরা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেটের জগতে আপনি এনক্রিপশন এর কথা নিশ্চয়ই শুনেছেন। যাকিনা আপনার নানা রকম একাউন্ট যেমন ফেইসবুক,হোয়াটস্যাপ আরো নানান একাউন্ট বা মেসেজ সংরক্ষিত করে থাকে। এনক্রিপশন কি? এনক্রিপশন কিভাবে কাজ করে?  এইসব নিয়ে আজকে আমি আপনাদের সাথে কথা বলবো।

এনক্রিপশন কি?

এনক্রিপশন কি
এনক্রিপশন কি

এনক্রিপশন কোন নতুন জিনিস না। এমন না যে আমরা কিছু সময় ধরে ব্যবহার করছি। এটি আমরা হাজার বছর আগে থেকেই ব্যবহার করছি। এনক্রিপশন মানে কোন তথ্য বা কোন ইনফরমেশন কোন জাগায় পাঠানো বা কোন জায়গায় লিখা|এই লেখা এমন রূপে থাকবে।  সেই  দেখতে পারবে যাকে আপনি দেখাতে চান। যে কেউ এইটা ব্যবহার করতে পারবে না। উদাহরণ আমি যদি কথা বলি সহজ এনক্রিপশন মনে করুন ABCD-Z পর্যন্ত। মনে কর  আমি লিখলাম  A  কে লিখব B, B কে লিখব C, C কে লিখব D এভাবে করে আমার যে অক্ষর লেখা দরকার আমি তার আগের অক্ষর লিখবো আমার লিখতে হবে “Techzoa” তো এইটা এনক্রিপশনের পর এরকম দেখাবে “Ucbgyna”  এই যে কোডটি যদি কাউকে না বলি যে আমি এক অক্ষরের আগের অক্ষরে লিখেছি তো কেও এই কোডটি কে ডিকোড করতে পারবে না। এটি তো একদম সহজ এনক্রিপশন। তো এই এনক্রিপশন থেকে যদি আপনার আসল তথ্য বের করতে চান তাহলে এটির জন্য Key কি হবে? Key এটা হবে যে  যা লিখেছেন তার থেকে এক অক্ষর করে কম করে দেন। উদাহরণ আমি লিখেছি “U” তো এর থেকে এক কম করলে এটি হবে “T” হবে। এভাবে করে এভাবে করতে করতে আমাদের পুরো কোডটি পড়তে পারবো। তো এই জিনিস যদি আমার কাউকে পাঠাতে হয় আমি যাকে পাঠাচ্ছি সে যদি জানে যে এটা কিভাবে পড়তে হয়। তো যেই সময় আমি ম্যাসেজ লিখে পাঠাবো একমাত্র সেই মানুষটি পড়তে পারবে যে জানে এটা কিভাবে পড়তে হয়। তো এটি হল নরমাল এনক্রিপশন।তো অনেক অ্যাডভান্স টেকনিক ছিল আজ পর্যন্ত আমরা ব্যবহার করে এসেছি। কম্পিউটারের দুনিয়ায় এনক্রিপশন একটু অন্যরকম। কিন্তু কনসেপ্ট একই রকম।

পাবলিক কী এনক্রিপশন কি?

পাবলিক কী এনক্রিপশন একদম কমন একটি এনক্রিপশন।প্রায় আজকের দিনের সকল ইনফেকশনই যেমন email,messages,whatsapp এগুলো পাবলিক কীয় এনক্রিপশন উপর ভিত্তি করে। তো বন্ধুরা পাবলিক কী এনক্রিপশন কি? উদাহরণ আমি একজন ইউজার এবং আমার পাশে আরেকজন ইউজার দাঁড়িয়ে আছে।তো আমাদের দুজনের কাছেই দুটি করে Key আছে। আমার কাছে একটি তো আমার প্রাইভেট Key এইটি শুধু আমার কাছেই থাকে। আরেকটি হচ্ছে পাবলিক কি যেটি সবার কাছেই থাকে।আমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ইউজারের কাছে  একই রকম তার নিজস্ব Key এটি শুধু তার কাছে থাকে আরেকটি হল পাবলিক key এটা সবার কাছেই থাকে।

পাবলিক কী এনক্রিপশন কি
পাবলিক কী এনক্রিপশন কি

তো এখন প্রশ্ন আসে প্রাইভেট Key এবং পাবলিক Key এগুলো কি?

তো আপনি মনে করেন ডিকোড করার যে ফর্মুলা আছে এইটি হলো  ওই Key এর ভেতর লেখা আছে যে কিভাবে আপনার অরজিনাল মেসেজ রিকভার করতে হয়।

তখন যদি আপনি কোন মেসেজ পাবলিক Key দিয়ে লক করে দেন। তো এইটি শুধু private Key  দিয়েই ওপেন হয়। এখন যদি আপনি কোন মেসেজ কে প্রাইভেট Key দিয়ে লক করে দেন এইটি একমাত্র পাবলিক Key দিয়ে ওপেন হবে।

তো এখন মনে করুন আমার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা যেই দ্বিতীয় user ছিল তাকে আমি মেসেজ পাঠাবো “হ্যালো” তো আমি কি করবো দ্বিতীয় ইউজারের কাছে থাকা  public Key যেটা আমার কাছেও আছে। তো আমি ওটাতে পাবলিক Key দিয়ে “hello” লিখে উঠে লক করে দিলাম এবং ঐ ইউজারের কাছে সেন্ড করে দিলাম।তো সেই user একমাত্র তার private key  ব্যবহার করে ওটাকে ওপেন করতে পারে।তোর যাওয়ার পথে অন্য কেও যদি ঐ মেসেজটি পেয়ে যায় তাহলে সে ওপেন করতে পারবে না। যদি আমি ম্যাসেজ কে আরো বেশি সংরক্ষিত করতে চাই এবং নিশ্চিত করতে চাই যে ঐ মেসেজ আমি পাঠিয়েছি কারো পাবলিক Key  তো সবার কাছেই আছে।যে কেও পাঠাতে পারে। আমি কি করব? প্রথমে ওই মেসেজকে লক করব ইউজারকে পাঠাবো তার Public Key দিয়ে এবং ওই মেসেজকে আমি আবার লক করব আমার প্রাইভেট Key দিয়ে। তো যখন ওই মেসেজ ইউজার এর কাছে যাবে। সে দেখতে পারবে ওইটা প্রাইভেট কি দিয়ে লক করা। প্রথমে সে আমার  পাবলিক Key দিয়ে খুলবে এবং তারপর তার প্রাইভেট কি দিয়ে সে মেসেজকে আনলক করে তারপর মেসেজ টি পড়তে পারবে। ধারণা একটু বিভ্রান্তিকর কিন্তু এটি এভাবেই কাজ করে। উদাহরণ আমি কাউকে ইমেইল পাঠাবো সে তার পাবলিক কি আমাকে বলবে। তার সেই পাবলিক কী দিয়ে আমি মেসেজটি লক করে দেব এবং তাকে পাঠিয়ে দেব। যখন তার কাছে ই-মেইল পৌছাবে।সে তখন তার private key ব্যবহার করে ইমেইল আনলক করে নিবে। এটি এটার মূল কনসেপ্ট।তো বন্ধুরা এটি তো হলো আপনার ডেটা ট্রান্সমিশনের ব্যাপারে। উদাহরণ আপনি ব্যাংক,Website এছাড়াও কোন অনলাইন শপিং সাইট এ লগইন করেন বা আপনার Data  স্টোর করার সময় বা জিমেইল ফেসবুকে লগইন করে থাকেন তখন এভাবেই কাজ করে।

কিন্তু যে ডাটা রাখা আছে সেগুলো আপনি কিভাবে encrypted করতে পারবেন। যেমন আপনি গুগল ম্যাপে কোন ছবি দেখেছেন বা ড্রপবক্সে কোন ফাইল রেখেছেন। তো বন্ধুই গুলোর জন্য ব্যবহার করা হয় হ্যাশ টেবিল।তো হ্যাশ টেবিল কি? উদাহরণ আমার নাম Sam  তো এই Sam যেখানে save হয় এখানে Sam রূপে সেভ হয় না। এটি encrypted রূপে সেভ হয়।


আজকের জন্য এতোটুকু ছিল| পরবর্তীতে অন্য টিপস-এন্ড-ট্রিকস নিয়ে হাজির হব| আপনি যদি আমাদের ওয়েবসাইটের পোস্টগুলো পছন্দ করে থাকেন তাহলে নিচে কমেন্ট করতে ভুলবেন না| আর যদি আপনার কোন প্রশ্ন থেকে থাকে তাহলে কমেন্টে জানাবেন| আমি answer করতে চেষ্টা করব|

About the author

Add a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *